Text size A A A
Color C C C C
পাতা

প্রকল্প

(১) প্রকল্পের নাম: সার্ভিসেস ফর চিলড্রেন এট রিস্ক (স্কার) প্রকল্প।

কেন্দ্রের নাম: শেখ রাসেল ঝুঁকিপূর্ণ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র।

মন্ত্রণালয়/বিভাগ: সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা অধিদফতর।

প্রকল্পের মেয়াদ: জানুয়ারি ২০১২ থেকে জুন ২০১৬।

অনুমোদিত আসন সংখ্যা: প্রতি কেন্দ্রে (২টি ডিআইসি =১টি কেন্দ্র) ২০০ জন (বালক ১০০ জন, বালিকা ১০০ জন)।

প্রকল্পের মূল কার্যক্রম:

প্রতিটি সেন্টারসমূহে সারাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদেরকে খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, পোষাক ও শিক্ষাপ্রদানসহ বিনোদনের ব্যবস্থা করে সামাজিক পুনরেকেত্রীকরণ ও পূনর্বাসন।

টার্গেট গ্রুপ:

এ প্রকল্পের আওতায় নির্যাতিত শিশু, পাচার থেকে উদ্ধারকৃত শিশু, বাল্য বিবাহের শিকার শিশু, গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশু, দূর্ঘটনারশিকার/আহত শিশু, আইনি দ্বন্দ্বে জড়িত শিশু, অবহেলার শিকার শিশু, পিতৃ-মাতৃহীন এতিম শিশু, পিতা কিংবা মাতা হীন এতিম শিশু, কোন সেবা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক রেফার কৃত শিশু, পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন শিশু/হারানো শিশু, প্রতিবন্ধী শিশু, শিশু শ্রমিক, পথ শিশু, অন্যান্য (ভাঙ্গা পরিবার) সেবা প্রদান ও পুনর্বাসন করা হয়।

প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

১. ঝূঁকিপূর্ণ শিশুদের জন্য সামাজিক সেবার ব্যাপ্তি বৃদ্ধি, ব্যবহার ও মান উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান।

২. নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে ঝূঁকিপূর্ণ শিশুদের ঝূঁকি কমিয়ে আনা।

৩. ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের সেবা প্রদানের জন্য উন্নয়ন পরিকল্পনা শক্তিশালীকরণ, CRCএবং শিশু আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী শিশুদের সামাজিক-মনস্তাত্ত্বিক নিরাপত্তা এবং অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান।

৪. সমাজসেবা অধিদফতরের বিদ্যমান শিশু সুরক্ষা ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রমসমূহকে শক্তিশালীকরণ এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে ৭ টি Integrated Child Protection Service Centreস্থাপন করে ঝূঁকিপূর্ণ শিশুদেরকে প্রদত্ত সেবা প্রদান করা।

৫. সমাজসেবা অধিদফতরের প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি ও কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দক্ষতা বৃদ্ধি করে দরিদ্র, অবহেলিত ও দু:স্থ শিশুদের সেবা প্রদান করা।

৬. প্রকল্পের লক্ষ্যভূক্ত ঝূঁকিপূর্ণ শিশুদের উন্নততর সেবার নিশ্চয়তা প্রদানের জন্য সমাজসেবা অধিদফতরে M&Eএবং MISস্থাপন ও উন্নয়ন।

৭. Pro-activeসমাজকর্ম এবং সেবা প্রদানের জন্য সমাজসেবা অধিদফতরের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া, মান ও পরিমাণ বৃদ্ধি করা।

৮. সমাজসেবা অধিদফতরের কার্যক্রম বাস্তবায়ন পদ্ধতির উন্নয়ন, মনিটরিং ও মূল্যায়ন ব্যবস্থা জোরদারকরণ।

৯. সমাজসেবা অধিদফতরের ডাটাবেজ সিস্টেম স্বয়ংক্রিয় করা, পরিবীক্ষণের জন্য সফট্ওয়ার তৈরী করা এবং মূল্যায়নের মাধ্যমে সকল প্রকার কার্যক্রম গ্রহণ করা।

স্কার প্রকল্প, শেখ রাসেল ঝুঁকিপূর্ণ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র, রাজশাহী।

কার্যক্রম শুরু: ৩ নভেম্বর ২০১২ (আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ নভেম্বর ২০১২)।

বর্তমান নিবাসী সংখ্যা: ১০৫ জন (বালক ৫১ জন, বালিকা ৫৪ জন)।

পূণএকীকরণ ও পুনর্বাসনকৃত শিশুর সংখ্যা: ১৫৩ জন (বালক ৭৭ জন, বালিকা ৭৬ জন)।

(২) প্রতিবন্ধীতা শনাক্তকরন জরীপ কর্মসূচি

২০১২-১৩ অর্থ বছরে পাইলট কর্মসূচি হিসাবে সমগ্র বাংলাদেশের ৫টি উপজেলায় প্রতিবন্ধী শনাক্তকরণ জরীপ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। উক্ত ৫টি উপজেলার মধ্যে রাজশাহী জেলার পবা উপজেলা অন্তর্ভূক্ত ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩-১৪ অর্থ বছরে জরীপ কাজ শুরু হয়। ইতিমধ্যে প্রতিবন্ধী শনাক্তকরণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। রাজশাহী জেলায় ডাক্তার/কনসালট্যান্ট কর্তৃক শনাক্তকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা ৩৬,৫৪২ জন। বর্তমানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের তথ্য-উপাত্তগুলি কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষনের কাজ চলছে। উক্ত কাজ সম্পন্ন হলে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মধ্যে পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে।

 

(৩) দলিত, হরিজন ও বেদে জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন শীর্ষক কর্মসূচি

                 ১৮ বছর বা তদূর্ধ্ব দলিত, হরিজন ও বেদে জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক প্রশিক্ষণ

                 ৫০ বছর বা তদূর্ধ্ব দলিত, হরিজন ও বেদে জনগোষ্ঠীর বিশেষ ভাতা/বয়স্ক ভাতা প্রদান

                 দলিত, হরিজন ও বেদে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান

               

(৪) হিজড়া জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন শীর্ষক কর্মসূচি

                 ১৮ বছর বা তদূর্ধ্বহিজড়া জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক প্রশিক্ষন

                 ৫০ বছর বা তদূর্ধ্বহিজড়া জনগোষ্ঠীর বিশেষ ভাতা/বয়স্ক ভাতা প্রদান

                 হিজড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান

 

(৫) ক্যান্সার, কিডনী ও লিভার সিরোসিস রোগে আক্রান্ত রোগীর আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি

 সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে ২০০৯-১০ অর্থ বছর হতে ক্যান্সার, কিডনী ও লিভার সিরোসিস রোগীর আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে আসছে। ইতিমধ্যে ৫৩ জন রোগীর প্রত্যেককে  ৫০,০০০/- টাকা বাবদ সর্বমোট ২৬,৫০,০০০/- টাকা বিতরণ করা হয়েছে।